বিগ ব্যাংয়ের আগে কী ছিলো?

বিগ ব্যাংয়ের আগে ছিলো অগণিত সংখ্যক বিগ ব্যাং। মোটামুটি এই হইলো big bang পরবর্তী, আসলে বিগ ব্যাং থিওরির ধর্মীয় তাৎপর্য ঠেকানোর জন্য নিয়ে আসা নতুন থিওরি তথা no boundary theory’র মূল কথা। কসমলজির নামে বিশুদ্ধ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নির্ভর এই নো বাউন্ডারি বা মাল্টিভার্স থিওরির অন্যতম প্রবক্তা হইলেন স্যার রজার পেনরোজ ও ‘বিজ্ঞান-গুরু’ প্রফেসর স্টিফেন হকিং।

হালনাগাদের নতুন ধর্ম হিসাবে এই বিজ্ঞানধর্ম বা religion of science-এর ‘প্রফেটগণ’ যখন নিরীশ্বরবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য অন্টোলজি ও লজিকের বেসিক নিয়মগুলো অস্বীকার করে ভেজালযুক্ত দর্শন চর্চা শুরু করে দেন, তখন ব্যাপারটা কতটা হাস্যকর হয়ে দাঁড়ায় তা জানার জন্য প্রায় চৌদ্দ মিনিটের এই সংক্ষিপ্ত আলোচনাটা শুনতে পারেন।

অনানুষ্ঠানিক এই ভিডিওটা ইউটিউবে আমার একাডেমিক চ্যানেল “যুক্তি ও জীবন”-এ পাবেন:

ফেসবুকে প্রদত্ত মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য

Sourav Abdullah: তাহলে কি আমি উপসংহার এভাবেই টানতে পারি যে, বস্তুবাদী নাস্তিকরা ঈশ্বরের ধারণাকে বাদ দিতে গিয়ে জগতকেই ঈশ্বর বানিয়ে ফেলছেন? তথা ঈশ্বরের ধারণা থেকে বের হওয়ার সুযোগ নাই। এটাই আমার অস্তিত্বের জন্য সবচে বড় সত্য কথা।

Mohammad Mozammel Hoque: হ্যা, তাই। The idea of God is intrinsic, hardwired, deeply rooted in human understanding and psychology. No matter someone find a God or makes a God of his own. To accept God’s attributes is to accept God.

আমি ও হিমু: স্যার, ভুল হলে ক্ষমা করবেন। আমি যতদূর জেনেছি, তাতে আমার মনে হয়েছে– বিগ ব্যাং থেকেই সময়ের সৃষ্টি। অতএব বিগ ব্যাং-এর পূর্ব বা অতীত নেই। আমরা মানুষরা সময়ের ভেতর সীমাবদ্ধ। আমরা অতীতে ফেরত যেতে পারি না, ভবিষ্যতেও যেতে পারি না। কিন্তু যিনি ইশ্বর, তিনি তো পারবেন। তাছাড়া এ নিয়ে যে থিউরিগুলো আছে তার গাণিতিক ব্যাখ্যা, যুক্তি বাস্তবতা থাকলেও সেগুলো কিন্তু এক সময় ভুল প্রমাণিত হতে পারে কিংবা অন্য থিউরি এসে আরেকটাকে বাতিলও করতে পারে এদিক থেকে।

Mohammad Mozammel Hoque: সায়েন্স আর ফিলোসফির, বিশেষ করে অন্টলজির, পার্থক্য যারা বুঝতে পারে তাদের কাছে এসব বিষয় অত‍্যন্ত সহজ to deal with।Bottom of Form

পোস্টটির ফেসবুক লিংক

আপনার মন্তব্য/প্রশ্ন লিখুন

ইমেইল অ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা আবশ্যক।

*