নিরীশ্বরবাদীগণ কর্তৃক স্ট্র-ম্যান ফ্যালাসির ব্যবহার প্রসংগে

ঈশ্বর বিশ্বাসের ক্ষেত্রে পরম শূন্যতা ও অসীমত্বের ধারণা কি পরস্পরবিরোধী? ঈশ্বরের সর্বজ্ঞানী, ন্যায়বিচারক ও পরম ক্ষমাশীল হওয়ার ধারণা কি সংগতিপূর্ণ? ঈশ্বর কি এমন পাথর তৈরী করতে সক্ষম যা তিনি উত্তোলন করতে অক্ষম?

এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে আগ্রহী হলে এই ভিডিওটা দেখতে পারেন।

ফেসবুকে প্রদত্ত মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য

Mohammad Mozammel Hoque: এক পাঠকের প্রশ্ন: “স্যার, আমাদের দিক থেকে এটা ঠিক যে আমরা নিজেদের অস্তিত্বকে প্রশ্ন করতে গিয়ে স্রষ্টার ধারণায় পৌঁছি, স্রষ্টার ধারণা নিয়েই জন্মগ্রহণ করি না।

কিন্তু হাদিসের ঐ বয়ানের কী হবে যেখানে বলা হয়েছে যে, আমাদেরকে রুহের জগতে প্রশ্ন করা হয়েছিল আল্লাহ আমাদের স্রষ্টা কিনা? এবং আমরা স্বীকার করে নিয়েছিলাম যে, হ্যাঁ, আপনিই আমাদের স্রষ্টা।

আমরা এটা নিয়ে এনগেইজ হবো কিভাবে?”

আমার উত্তর: “রুহের জগতে আমাদেরকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আমাদের রব কে? আমরা বলেছি, আল্লাহ আমাদের প্রভু। এইসব বর্ণনা তো ঠিকই আছে। সমস্যা হলো, সেগুলো আমাদের মনে নাই। যা মনে নাই তা থাকা বা না থাকা সমান কথা। তাই না? তাই যদি হয়, আমরা আসলে কোত্থেকে শুরু করি? আমরা আমাদের knowledge journey শুরু করি এই মুহূর্তে আমার চারিপাশের বিদ্যমান বাস্তবতা, আমার সামগ্রিক জীবন ও জগত– এসব কিছু থেকে। এভাবে ক্রমান্বয়ে আমি আমার বুদ্ধি দ্বারা পরিচালিত হই এবং এক পর্যায়ে এক মহান পরমসত্তার ধারণায় উপনীত হই। আমি মূলত সেটা খুঁজে পাই যেটা আগে থেকে ছিল। যা অবাস্তব, যা আদৌ ছিল না, তা আমার খুঁজে পাওয়ার কথা না। যদি আমি ন্যূনতম মানে উপযুক্ত সত্যসন্ধানী হয়ে থাকি।

এবার নিশ্চয়ই বোঝা যাচ্ছে, যেটা বাস্তব সেটাকেই আমরা শেষ পর্যন্ত খুঁজে পাই। আজকালকার মোবাইলের যুগে মোবাইলের উদাহরণ দিয়েই বলি। মোবাইলটা টেবিলের ওপরেই ছিল বা আছে। অথচ সেটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। লাইট জ্বালিয়ে কিংবা সেই নাম্বারে কল করে মোবাইলটা খুঁজে পাওয়া গেল। সত্যকে খুঁজে পাওয়া অর্থের নির্মাণ করা মানে আশা করি (জাকির নায়েক স্টাইলে) বুঝতে পেরেছেন।”

Rafan Ahmed: “এক পাঠকের প্রশ্ন: স্যার, আমাদের দিক থেকে এটা ঠিক যে আমরা নিজেদের অস্তিত্বকে প্রশ্ন করতে গিয়ে স্রষ্টার ধারণায় পৌঁছি, স্রষ্টার ধারণার নিয়েই জন্মগ্রহণ করি না।”

স্যরি স্যার, নাক গলালাম। স্রষ্টার ধারণা নিয়ে জন্মাই না, এ কথার বিপরীতে সেক্যুলার একাডেমিকদের peer reviewed স্টাডি পেপার ও বড় মাপের রিসার্চ প্রজেক্টের ফলাফল আমি বিশ্বাসের যৌক্তিকতা বইয়ে একত্রিত করেছি। এ ব্যাপারে একাডেমিয়াতে দ্বিমত নেই যে স্রষ্টার অস্তিত্বের বিশ্বাস নিয়েই আমাদের জন্ম।

এমনকি নাস্তিকেরা এ বিষয়ে উত্তর দিতে না পেরে ঐতিহাসিক কিছু ডকুমেন্ট ঘেটে সেটাকে আবার ‘স্টাডি’ নাম দিয়ে প্রমাণের চাতুরীপূর্ণ চেষ্টা করেছে (যাতে সাধারণ মানুষ একে সাইন্টিফিক স্টাডি ভাবে যা আস্তিকতার সপক্ষে আছে) যে নাস্তিকতাও নাকি আস্তিকতার মতই স্বাভাবিক বা ইনেইট।

Mohammad Mozammel Hoque: We have to differentiate between the potentiality and actuality for something to be out there. For something to be out there as a deer rational or logical possibility doesn’t mean that, it is already out there demonstratively or physically. ঈশ্বর বিশ্বাস যদি প্রাথমিকভাবে একটা যৌক্তিক সম্ভাবনা না হয়ে বাস্তবতা হতো তাহলে কেন কাউকে বিশ্বাসী হয়ে উঠতে হয়? কেন জগতের মধ্যে অবিশ্বাসীরা রয়ে গেছে? are they insane? should I say this? I won’t. I just say that it is, I mean God belief is out there, but we have to find it out with our own capacity. and that capacity is given within us by ‘nature’ or by God.

We have to differentiate between metaphysical objectivity and epistemological objectivity. God or God belief is a kind of epistemological objectivity. It’s not metaphysically objective from our point of view.

May be, the concept of philosophical God is hardwired in human cognitivity, not the knowledge of personal God or the God of the religions.

Rafan Ahmed: Yes, I agree… but in other studies it has been found that belief in religion is also kind of innate… A new theory is out there about this called ‘Strong Naturalness Theory’ I have quoted evidence for that in my book… thx for your reply sir.

Mohammad Mozammel Hoque: God in the sense of philosophical God and religion in the sense of ritualistic system doesn’t necessarily entail our belief in personal God or following or practicing any of the traditional religions.

পোস্টটির ফেসবুক লিংক

আপনার মন্তব্য/প্রশ্ন লিখুন

ইমেইল অ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা আবশ্যক।

*