নাস্তিকতা, তাদের চর্চিত অশ্লীলতার মতোই পরিত্যাজ্য…!

সামুতে আমি আস্তিকতা ও নাস্তিকতা নিয়ে বেশ কয়েকটি পোস্ট দিয়েছিলাম।

নাস্তিকরা আস্তিকদের চেয়ে কম অসহিষ্ণু নয়, বরং তারা বেশি ফ্যানাটিক। এটি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা।

আদর্শিকভাবে ও বাস্তব জীবনাচারে আমি ইসলামী জীবনাদর্শে বিশ্বাসী হলেও নাস্তিকতা হচ্ছে আমার প্রিয় পাঠ্য। বইয়ে, ব্লগে এবং ব্যক্তিগতভাবে।

নাস্তিকরা ইসলামকে ভয় পায়! কারণ, ইসলাম হলো বর্তমান পৃথিবীর উঠতি মতাদর্শ। অবশ্য এই ‘ইসলাম’ আমাদের সমাজে প্রচলিত ইসলাম হতে ভিন্ন! এটি হলো পূর্ণাঙ্গ ইসলাম। তথাকথিত ইসলাম ধর্ম নয়।

নাস্তিকরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে জানার ভান করে, জানতে চায় না।

বৃহত্তর কোনো স্থায়ী নীতি-আদর্শ না থাকায় তারা বাহ্যত এক ধরনের সামাজিক নৈতিকতার লেবাস ধারণ করে থাকে। তাদেরকে যারা চ্যালেঞ্জ করে (যেমন– আস্তিকরা), তাদেরকে মোকবিলা করার সময় তাদের এই কৃত্রিম ভদ্রতার আবরণ খসে পড়ে।

নাস্তিকরা হলো আমাদের সমাজে ইসলামের নামে প্রচলিত অপব্যাখ্যা ও অনাচারসমূহের এবং উদীয়মান ইসলামী আন্দোলনের স্বগত শত্রু।

নাস্তিকতা, তাদের চর্চিত অশ্লীলতার মতোই পরিত্যাজ্য…!

বিশেষ দ্রষ্টব্য: সেহেরী খাওয়ার আগে কিছুক্ষণ ঘুমাবো। ফজরের নামাজ পড়েও ঘুমাবো। দিনের কাজ সেরে ব্লগে ফিরবো। কথাটি এজন্য লেখলাম, নাস্তিক ভাই ও বোনেরা যেন মনে না করেন, পোস্ট দিয়ে হাওয়া হয়ে গেছি! সারা দিনরাত তো আর ‘ডিস্কো ঘোড়া’র মতো ব্লগ নিয়ে পড়ে থাকতে পারি না!?

পোস্টটির সামহোয়্যারইন ব্লগ লিংক

আপনার মন্তব্য/প্রশ্ন লিখুন

ইমেইল অ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা আবশ্যক।

*